মতলব উত্তরে প্রতিপক্ষের অর্তকিত হামলায় বাড়িঘর ভাংচুর-গাছ কর্তন

স্টাফ রিপোর্টারঃ চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের কলেজ সুজাতপুর প্রতিপক্ষের অর্তকিত হামলায় বাড়ি ঘর ভাংচুর ও বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে দেয় প্রতিপক্ষ। সরজমিনে জানা যায়, কলেজ সুজাতপুর গ্রামের মৃত ফয়েজবক্স প্রধানে ছেলে মোঃ জসিম উদ্দিন প্রধান সাংবাদিকদের জানান, তাদের পৈতিক সম্পত্তি ৮৮৫ দাগে একএকর পঞ্চাশ শতক ভুমি রয়েছে, এরই মধ্যে আমার পূর্ব পুরুষ হইতে আরম্ভ করে আমরা অদ্যবদি বসত ভিটে বাড়ি করে দিনাতিপাত করে আসছি।

গত ০৭ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় প্রতিপক্ষ সাইফুল ইসলাম গং ২০/২৫ জনের একটি দল বেধে বেকুমেশিন এনে তান্ডব চালিয়ে একটি পাকের ঘর, একটি গরুঘর একটি পাকা টয়লেট, একটি টিনসেট টয়লেট, একটি বিশাল বাঁশ ঝাড় সহ কয়েক টি বিভিন্ন প্রজাতির চোট বড় গাছ কর্তন করে ফেলে এবং কি বাড়ির সামনের একটি দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে। এ অবস্থা দেখে জসিম উদ্দিন প্রধান সহ তার পরিবার পরিজন ও ছোট ছোট কোমল মতি শিশুরা ডাক চিৎকার করে ভয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে ৯৯৯ নাইনে ফোন দেয়া হলে তাৎক্ষণিক থানা পুলিশ ঘটনাস্থল এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদ, মোঃ আলমগীর হোসেন প্রধান, ফাতেমা বেগম, সুরাইয়া ইসলাম মীম, সুর্বনা আক্তার সহ অনেকে এ তাণ্ডবের কথা বলেন প্রতিপক্ষ সাইফুল ইসলাম সহ আবুল হোসেন নাছির উদ্দীন, মোহাম্মদ আলী বাবলু সহ তারা ২০ থেকে ২৫ জন লোক এসে তাদের বাড়িতে হামলা দেয়। এ হামলার ভাংচুর ও গাছ কর্তনের ক্ষতি পাঁচ লক্ষের ও বেশী হবে বলে জানান ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন প্রধান। তারা এ ব্যাপারে আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানান।
প্রতিপক্ষ সাইফুল ইসলাম গং দের পরিবারের একজন নাজমুল হোসেন সাত্তার বলেন সাইফুল ইসলাম গংদের ৮৮৪ দাগে দুই একর পচাত্তর শতাংশ ভুমি। এরই মধ্যে তারা বসবাস করে আসছে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, সম্প্রতি এ দুই বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল, বিরোধ নিষ্পত্তি করনের জন্য গত ২/৩ বছর পূর্ব সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ কুদ্দুস ও তার ছোট ভাই ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাজেদুল হাসান বাতেন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মাধ্যমে এ বিরোধীয় সম্পতি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারন করা হলে এ পর্যন্ত জায়গা বুজিয়ে না দেয়ার কারনে তাদের জায়গা তারা বেকু মেশিন দ্বারা এসমস্থ কাজ গুলি করেন বলে জানান নাজমুল হোসেন সাত্তার।
নীজের হাতে আইন তুলে নেয়া সঠিক কিনা এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে সাত্তার বলেন এখানে আইনের কি আছে আমাদের জায়গা আমরা পরিস্কার করে দিয়েছি তাতে কার কি? এ ঘটনা ব্যাপারে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেয়া হলে তাৎক্ষণিক সরজমিনে পুলিশ পাঠিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়, এবং কি জসিম উদ্দিন প্রধানের পক্ষ থেকে মোঠু ফোনে কথা হয়েছে, তবে এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান ওসি রবিউল হক। তবে এ ঘটনা জগন্য বলে মনে করেন এলাকা বাসি।
রোববার, ০৯ নভেম্বর ২০২৫
![]()





















