সোরিয়াসিস রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

সোরিয়াসিস একটি দীর্ঘস্থায়ী অটোইমিউন ত্বকের রোগ যা সংক্রামক নয়, তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অস্বাভাবিক কার্যকলাপের কারণে ত্বকে লালচে দাগ, খসখসে আঁশ এবং চুলকানি সৃষ্টি করে। এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং সম্পূর্ণ নিরাময়স সম্ভব না হলেও কমপক্ষে ৯০ ভাগ নিরাময় সম্ভব, তাই সঠিক চিকিৎসা, জীবনধারা পরিবর্তন এবং মানসিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

সোরিয়াসিস বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রভাবিত করে। বাংলাদেশেও এ রোগের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এটি শুধু ত্বকের সমস্যা নয়, বরং রোগীর মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক জীবন এবং আত্মবিশ্বাসের উপরও গভীর প্রভাব ফেলে। সঠিক তথ্য, চিকিৎসা এবং সচেতনতা থাকলে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সোরিয়াসিসের কারণ
– অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ত্বকের কোষকে আক্রমণ করে, ফলে কোষ দ্রুত জমা হয়।
– জেনেটিক প্রভাব: পরিবারে কারও সোরিয়াসিস থাকলে অন্য সদস্যদের ঝুঁকি বেশি।
– পরিবেশগত কারণ: শীতকাল, শুষ্ক আবহাওয়া, ধূমপান, অ্যালকোহল গ্রহণ রোগকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
– মানসিক চাপ: অতিরিক্ত স্ট্রেস রোগের প্রকোপ বাড়ায়।
– সংক্রমণ ও ওষুধ: কিছু সংক্রমণ বা ওষুধ (যেমন বিটা-ব্লকার, লিথিয়াম) সোরিয়াসিসকে তীব্র করতে পারে।

সোরিয়াসিসের লক্ষণ
– ত্বকে লালচে দাগ
– দাগের উপর রূপালী আঁশ
– চুলকানি ও জ্বালা
– ত্বক ফেটে যাওয়া ও রক্তপাত
– মাথার ত্বকে খুশকির মতো খোসা
– নখে পরিবর্তন, ভঙ্গুরতা বা গর্ত

সোরিয়াসিসের ধরন
– প্লাক সোরিয়াসিস : সবচেয়ে সাধারণ, লাল দাগ ও আঁশযুক্ত।
– গুটেট সোরিয়াসিস ছোট ছোট ফোঁটা আকারে দাগ।
– ইনভার্স সোরিয়াসিস: শরীরের ভাঁজে লাল দাগ।
– পুস্টুলার সোরিয়াসিস: পুঁজভর্তি ফুসকুড়ি।
– এরিথ্রোডার্মিক সোরিয়াসিস: পুরো শরীরে লালচে দাগ ও খোসা, গুরুতর অবস্থা।

প্রতিকার ও চিকিৎসা
– স্থানীয় চিকিৎসা: ন্যাচারাল মেডিকেটেড ক্রিম, মলম, কর্টিকোস্টেরয়েড।
– আলো থেরাপি: অতিবেগুনি রশ্মি ব্যবহার করে কোষের বৃদ্ধি কমানো।
– ওষুধ: নিমো প্লাস, রিক্যাপ ক্রিম, নিম অয়েল ও ভিটিগো ক্যাপসুল।
– ঘরোয়া প্রতিকার: অ্যালোভেরা জেল, নারকেল তেল, ওটমিল বাথ।
– জীবনধারা পরিবর্তন: সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার।

মানসিক ও সামাজিক সহায়তা
সোরিয়াসিস রোগীরা প্রায়ই আত্মবিশ্বাস হারান। পরিবার, বন্ধু এবং সমাজের সহায়তা তাদের মানসিক শক্তি বাড়ায়। কাউন্সেলিং ও সাপোর্ট গ্রুপ রোগীদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
প্রতিরোধ
– ত্বক আর্দ্র রাখা
– স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ
– স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
– পর্যাপ্ত ঘুম
– ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা

সোরিয়াসিস একটি জটিল কিন্তু নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ। এটি সংক্রামক নয়, তবে রোগীর জীবনমানকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। সঠিক চিকিৎসা, সচেতনতা, জীবনধারা পরিবর্তন এবং মানসিক সহায়তার মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ব্যবস্থাপত্রসহ ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।
যোগাযোগ করে চেম্বারে এসেও চিকিৎসা নিতে পারবেন।
চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
চেম্বারে আসার পূর্বে আমাকে জানিয়ে সিরিয়াল নিয়ে আসবেন।
– হাকীম মো. মিজানুর রহমান
(ডিইউএমএস (ঢাকা),
বিএসএস (জা.বি),
এএপিএনএ (ভারত)।
(অলটারনেটিভ মেডিসিনে
১৪ বছরের অভিজ্ঞ)
সরকারি রেজি. নং-৩৫৪৬/এ
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার,
প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন,
রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তরে), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
ইমো/হোয়াটস অ্যাপ : 01762-240650
চিকিৎসকের মুঠোফোন ও স্পেশাল হোয়াটসঅ্যাপ: 01742057854

যোগাযোগ

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত) 

অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা 

সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ 

 চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

সততা প্লাজা, 

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার 

প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন 

রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

মোবাইল: 01762-240650

সেবাসমূহ : শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

 

রোববার, ০৫ অক্টোবর ২০২৫

ডায়াবেট্সি হলে কি করবেন?

শেয়ার করুন
প্রিয় সময় ও চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.

Loading

শেয়ার করুন