বীর্য বেশিক্ষণ ধরে রাখার উপায় জানেন কি?

ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যায়। এমনকি ৬-৭ মিনিটেও অনেকের বীর্য পাত হয়ে যায়। দাম্পত্য জীবনে অসুখী পুরুষের আজকাল অভাব নাই। বর্তমানে অনেক পুরুষ মিলনে (physical relation)স্থায়ী করতে পারেন না। বহু কারণ থাকতে পারে এর পিছনে। যৌন মিলন(physical relation) নিয়ে যারা মানসিক ভাবে দুর্বলতায় ভুগেন তাদের জন্য আজ কিছু টিপস দিচ্ছি আশাকরি আপনার যৌন জীবনের জন্য টিপসগুলো অদ্বিতীয়।
প্রথম প্রথম সব মানুষের ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞতা, লজ্জা, নিজের উত্তেজনা কে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা ইত্যাদির কারনে এমন টা হতে পারে। চিন্তার কিছু নেই। সময় নিন, তাড়াহুড়া করে মিলিত হবেন না। এই মুহূর্তে আপনার চিকিৎসকের কাছে যাবার প্রয়োজন বলেই মনে হয়।
চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক ।অনেক মানুষই আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন । কারণ অনেকেরই দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ মাস্টারবেশন।
এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ?এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন …
রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস এবং রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস জানা এই জন্য জরুরী যে, এতে করে রোগ নির্ণয় করা সুবিধা হয়।
ডাক্তার বুঝতে পারেন পুরুষত্বহীনতার এই সমস্যাটি কারণ শারীরিক নয় মানসিক। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনজনিত কারনে পুরুষের পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয় এবং অনেকের অকাল বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দেয় দিতে পারে।
বীর্য বেশিক্ষণ ধরে রাখা বা Premature Ejaculation নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটা খুবই কমন সমস্যা – প্রতি ৩ জনে ১ জন পুরুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় এটা ফেস করেন।

বীর্য বেশিক্ষণ ধরে রাখার ৭টি প্রমাণিত উপায়
১. স্টার্ট-স্টপ টেকনিক
মিলনের সময় যখন মনে হবে বীর্যপাত হয়ে যাবে, তখন ৩০ সেকেন্ড থেমে যান। অনুভূতি কমে গেলে আবার শুরু করুন। এভাবে ৩-৪ বার প্র্যাকটিস করলে সময় ধীরে ধীরে বাড়ে।
২. স্কুইজ টেকনিক
বীর্যপাতের ঠিক আগে লিঙ্গের মাথার নিচে ১০-১৫ সেকেন্ড আলতো চাপ দিন। এতে ইজাকুলেশনের রিফ্লেক্স থেমে যাবে। পার্টনারের সাহায্য নিতে পারেন।
৩. কেগেল এক্সারসাইজ – পেলভিক ফ্লোর মাসল
প্রস্রাব আটকানোর সময় যে মাসল ব্যবহার করেন, সেটাই পেলভিক ফ্লোর মাসল। দিনে ৩ বেলা ১০ বার করে ৫ সেকেন্ড চেপে ধরে ছেড়ে দিন। ৪-৬ সপ্তাহে কন্ট্রোল অনেক বাড়ে।
৪. শ্বাস-প্রশ্বাস কন্ট্রোল
উত্তেজিত হলে শ্বাস দ্রুত হয়, বীর্যপাতও তাড়াতাড়ি হয়। মিলনের সময় লম্বা করে নাক দিয়ে শ্বাস নিন, মুখ দিয়ে ধীরে ছাড়ুন। এতে নার্ভাস সিস্টেম শান্ত থাকে।
৫. কনডম ও পজিশন বদল
মোটা কনডম বা লিডোকেইনযুক্ত ‘ডিলে কনডম’ সেনসিটিভিটি কমায়। এছাড়া ‘নারী উপরে’ বা ‘সাইড বাই সাইড’ পজিশনে প্রেশার কম পড়ে, সময় বেশি পাওয়া যায়।
৬. ফোরপ্লে ও মানসিক চাপ কমানো
তাড়াহুড়া, পারফরম্যান্স এনজাইটি, স্ট্রেস PE-এর বড় কারণ। ফোরপ্লেতে সময় দিন। পার্টনারের সাথে খোলামেলা কথা বলুন। দুশ্চিন্তা কমলে টাইমিং এমনিতেই বাড়ে।
৭. সেনসেট ফোকাস এক্সারসাইজ
মাস্টার্স ও জনসন পদ্ধতি। পার্টনারের সাথে কোনো পেনিট্রেশন ছাড়া শুধু স্পর্শ, ম্যাসাজ করুন ২০ মিনিট। কয়েক সপ্তাহ প্র্যাকটিস করলে ব্রেনের কন্ট্রোল বাড়ে।

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা :
পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা ব্যাপারে অধিকাংশ পরামর্শ এসেছে মাস্টার এবং জনসনের কাছ থেকে। তারা তিনটি বিষয় গবেষণা করে থাকেন যে কোনো একজন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার ভোগে।
এই তিনটি কারণকে বিশ্লেষণ করে তারা এমন কিছু কৌশল এবং পদ্ধতির কথা বলেন যাতে করে পুরুষত্বহীনতা সমস্যা কাটানো যায়। তাদের গবেষণার বিষয তিনটি হলো-
১. যৌনতার ব্যাপারে পুরুষ এবং নারীর ভ্রান্ত ধারণা।
২. পুরুষের পুরনো চিন্তা ভাবনা এবং উঁচু মাত্রার শারীরিক এবং মনোদৈহিক চাপ। বিশেষ করে স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার যৌনতার ব্যাপারে আলোচনা কম হওয়া। মনে রাখা উচিত স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার যৌন আলোচনা যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।
৩. পুরুষত্বহীন পুরুষের মানসিক চাপ বেশি থাকে সেই কারনে স্ত্রীর বা যৌন সঙ্গিনীর উচিত তাকে আশ্বস্ত করা যে এটি কোন রোগ নয়। মাস্টার এবং জনসনের পুরুষত্বহীনতার ব্যাপারে দেয়া পরামর্শগুলো হলো।
যৌন সঙ্গী এবং সঙ্গিনীর মধ্যে খোলামেলা যৌন আলোচনা করা উচিত। এটি পরস্পরের যৌনানুভূতিকে চাঙ্গা করতে পারে এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা সৃষ্টি করে। যৌনতার ব্যাপারে কোনো প্রকার ধারণা পোষণ করা উচিত নয়।
এবং নারী পুরুষ উভয়েরই উচিত যৌনতার ব্যাপারে একজন অন্যজনকে সাহায্য করা। এর ফলে যৌন অনুভূতি এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা তৈরী হতে পারে।
যদি নারী বা পুরুষের যে কোনো একজনের যৌনতা ব্যাপারে কোনো প্রকার সন্দেহ ভয় ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করে তাহলে সাথে সাথে তা ডাক্তারকে জানান উচিত।
অনেক নারী যৌনতার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা খুব পছন্দ করে। হয়তো তার যৌন সঙ্গী বা স্বামী ওরাল সেক্স পছন্দ করছে অথচ নারী সেটি পছন্দ করছে না। এতে করে উভয়ের যৌন অনুভূতির মধ্যে একটা পার্থক্য তৈরি হতে পারে। এ ব্যাপারটির দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
পরস্পরের সাথে গভীর স্পর্শের সম্পর্ক থাকা উচিত। পুরুষদের যদি উত্তেজনা কম থাকে সে ক্ষেত্রে নারীর উচিত পুরুষকে উত্তেজিত করে তোলা। নারী বিভিন্ন ভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে।
পুরুষত্বহীনতা সমস্যা মোকাবেলায় নারীর ভূমিকা রয়েছে খুব বেশি। নারী পুরুষকে বিভিন্ন ভাবে উত্তেজিত করে আবার তাকে শিথিল করে তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। স্ত্রী দিনে অন্তত তিন চার বার স্বামীর দৃঢ়তা বাড়াতে এ কাজটি করতে পারে।
লিঙ্গের উত্তেজনা দীর্ঘণ ধরে না রেখে পুরুষের উচিত একবার লিঙ্গ শিথিল করে আবার লিঙ্গের উত্তেজনা তৈরি করা। এতে করে পুরুষত্বহীনতা সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।
মানুষের জীবনের অনেক ঘটনাই ঘটে। কারণ যুবকটি যখন বিয়ে করে তখন সে দু’চার বছর ধরে স্ত্রীর সাথে অনায়াসেই সহবাস চালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু পরবর্তীতে মানসিক, দৈনিক ও পরিবেশগত কারণে শরীরে Body Fluid বা ধাতুরস ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকলে তখন এটা ধরে রাখা আর সম্ভব হয় না।
নাইট কিং ব্যবহারে যৌন সমস্যার সমাধান করে। যেমন অল্পক্ষণেই বীর্যপাত হয়ে যাওয়া, বেশিক্ষণ সহবাস করতে না পারা, সন্তান না হওয়া, প্রস্রাবের আগে পরে বীর্যপাত, সামান্য চাপেই বীর্যপাত, অসময়ে বীর্যপাত, পেনিসে ব্যথা-বেদনা ইত্যাদি সমস্যার জন্য একশত ভাগ কার্যকরী ও পরীক্ষিত।
যাদের লিঙ্গ সহবাসের সময় নরম হয়ে যায়, বেশিক্ষণ সহবাস করতে পারেন না, নাইট কিং তাদের জন্য আদর্শ। সারাদেশে হাজার হাজার মানুষ এটি ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছে। এটি ভেষজ মেডিসিন।এতে কোনো প্রকার রাসায়নিক ব্যবহার হয়নি বলে এটি ব্যবহারে কোনোপ্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
নাইট কিং ও নাইট কিং গোল্ড সেবনে দেহে সিমেন সংখ্যা বাড়ে। ফলে হারানো যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায় ঠিক যেনো যৌবনকালের মতোই।
হাকীম মো. মিজানুর রহমান সবসময় অর্ডার ও রোগীর বিষয়টি সার্বক্ষণিক নজর রাখেন। অত্যন্ত সুনাম ও বিশ্বস্ততার সাথে সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ডেলিভারী করে থাকি। হাকীম মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ঔষধ ডেলিভারী প্রদান করা হয় বলে প্রতারিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।তিনি দীর্ঘ ছয় বছর যাবত দেশের ও বিদেশের এ সমস্ত রোগীদেরকে সরাসরি ব্যবস্থাপত্র ও ঔষধ ডেলিভারী প্রদান করেন।
এছাড়াও সরাসরি আমাদের অফিস থেকে ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।
সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।
সারাদেশে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ার যোগে অর্ডার অনুযায়ী ঔষধ পাঠানো হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।
*চেম্বার ও যোগাযোগ*
(ডিইউএমএস, বিএসএস)
চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A
ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.
চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
সততা প্লাজা, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার , প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন,
রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ইমো-হোয়াটসঅ্যাপ: 01762240650
চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে ১২টা। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে চারটা। সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।*
আমাদের সেবাসমূহ : ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, সিফিলিস, গনোরিয়া, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, সাদা স্রাব (লিকোরিয়া), মেছতা, কিডনী পাথর, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।
Views: 949























