কুমিল্লা লক্ষণপুরের বাদল হাজীগঞ্জ থেকে টাকা নিয়ে উধাও

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থেকে কুমিল্লা লক্ষণপুরের বাদল নগদ টাকা নিয়ে ভাড়া বাসা থেকে উধাও হয়। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ আনুমান সময় দুপুর ২ টায়। সে ভাড়া বাসা থেকে সহকর্মীর নগদ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। বহু খোঁজাখুঁজি করে তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের বিশেষ অনুরোধে আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়নি।

জানা যায়, উধাও হয়ে যাওয়া মো. দেলোয়ার হোসেন বাদল কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার লক্ষণপুর ইউনিয়নের কান্দিরপাড় গ্রামের হাজী আব্দুল জলিল বাড়ীর মৃত আব্দুল মজিদ মেয়ার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে হাজীগঞ্জে কর্মরত থাকার কারণে ভাড়া বাসায় বন্ধুর সাথে থাকতেন। বন্ধুর দুর্বলতার সুযোগ পেয়ে নগদ টাকা পয়সা নিয়ে উধাও হয়ে যায়।

দুই বন্ধু মিলে হাজীগঞ্জ পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ মুড়ির মিলের কাছে সিরাজ মিয়ার ভাড়া বাসা ইসলাম ভিলায় থাকতেন। একই ভাড়া বাসায় সাথে থাকতেন চাঁদপুর জেলার শাহারাস্তি উপজেলার ১৯ নং চীতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের ছিমাইল গ্রামের বৈরাগী বাড়ি মৃত হাসমত উল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

বন্ধুমত আচরণের মধ্য দিয়ে কেটে যায় অনেকদিন। এরই মাঝে একপর্যায়ে এই সমস্যা ওই সমস্যা দেখিয়ে উধাও হয়ে যাওয়া মো. দেলোয়ার হোসেন বাদল তালবাহানা করে ভাড়ার টাকা আটক রাখে। এতে করে ৫ মাসের বাড়ি ভাড়া সহ খাবারের টাকা ও নগদ ৫৪ হাজার ৭ শত ৯৮ টাকা, বিকাশে দুই হাজার ৪০ এবং হাওলাত বাবদ ৫ হাজার। এ সর্বমোট ১ লাখ ৮ হাজার ৪ শত ৩৮ টাকা নিয়ে উধাও হয়।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার দুর্বলতা ও সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করে দিন দুপুরে উধাও হয়ে যায় মো. দেলোয়ার হোসেন বাদল। যাকে আমি আপন ভাইয়ের মত বিশ্বাস করতাম সে আমার বিশ্বাসের জায়গায় চুরির আঘাত করে পালিয়ে গেছে। আমি প্রশাসনের কাছে তার বিচার চাই। ইতিমধ্যে তার বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করেছি। যদি আমার পাও না বুঝিয়ে না দেয় তাহলে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব।

রোববার, ০৪ জানুয়ারি ২০২৬

ডায়াবেট্সি হলে কি করবেন?

শেয়ার করুন
প্রিয় সময়-চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.

Views: 0

শেয়ার করুন