ফরিদগঞ্জে অভিযানের পরেও থামছে থামছে না টপ সয়েল কাটা

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র চলছে ফসলি জমির মাটি তথা টপ সয়েল কাটার ধুম। প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না মাটি কাটা। স্থাণীয় প্রশাসন অভিযান থামাতে মাটি বিক্রিকারীকে জরিমানা করা ও মাটি কাটার যন্ত্র ভেকু জব্দ করলেও মাটি বন্ধ হচ্ছে না। সর্বশেষ উপজেলার আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির বৈঠকেও এই বিষয়টি তুলে ধরেন সহকারি কমিশনার (ভুমি) ।
জানা যায়, চাঁদপুর সেচ প্রকল্পভুক্ত ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ফসলি জমি, মাছের শকুানো ঝিল ভেকু দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। ভেুক দিয়ে মাটি কেটে এসব মাটি নিষিদ্ধ ট্রাক্টর দ্বারা ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিদিনই এ উপজেলায় টপ সয়েল কাটা হলেও সেদিকে নজরদারি করছে না স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব ইউনিয়নের তেলিশাইর , বালিথুবা পূবৃ ইউনিয়নরে দেইচর, পৌর এলাকার কেরোয়া বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের বেহারিপুর, পাইকপাড়া উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন ফসলি জমি মাটি কেটে ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। একটি সূত্র জানায়, মাটি ক্রেতারা স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ও সাংবাদিক নামধারী কতিপয় ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে মাটি কাটছে। যেসব জমির মাটি কাটা হচ্ছে, পাশের জমির ক্ষতি হলেও এরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পায় না। এসব মাটি দিনের চেয়ে রাতের বেলায় বেশি কাটা হয়ে থাকে। এছাড়া অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে বালি কাটা হচ্ছে যত্রতত্র।
স্থানীয় লোকজন জানান, শুষ্ক মৌসুমে ভেকু দিয়ে এবং বর্ষা মৌসুমে ড্রেজার দিয়ে বালি তোলা কোন বাবেই বন্ধ হচ্ছে না। এমনকি সিআইপি বাধরে বাইরে ইটভাটাগুলো বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক ভাবে পানির নিচ থেকে মাটি কেটে নিচ্ছে। এগুলো লোকচক্ষুর আড়ালে হওয়ায় কেউই টের পাচ্ছে না। কিন্তু এতে ওইসব এলাকার ফসলি জমি ক্রমশ: নিচু হয়ে যাচ্ছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা অভিযান করেছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাটি ও বালি যারা কাটছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
Views: 0





















