ধনাগোদার ভাঙন: হুমকিতে মাইজকান্দি-বাইশপুর, ব্যবস্থা চান এলাকাবাসী

গোলাম নবী খোকন, মতলব:
চাঁদপুরের মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলার সীমানা দিয়ে বয়ে গেছে ধনাগোদা নদী। একসময় গভীর ও খরস্রোতা এ নদীর ভাঙন ছিল প্রবল। সময়ের সঙ্গে ভাঙন কমলেও অনেক জায়গায় নাব্যতা হারিয়েছে নদীটি। তবে এখনও বেশ কিছু এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ ও নদীর তীর রক্ষায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, পওর বিভাগ চাঁদপুর ব্যাপক কাজ করে আসছে। কথায় আছে, “নদীর এপার ভাঙে ওপার গড়ে, এই তো নদীর খেলা।”

বর্তমানে ভাঙন দেখা দিয়েছে মতলব উত্তর উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সিপাইকান্দি নদীর পূর্ব পাড়ে। মাইজকান্দি গ্রামের মরহুম রোস্তম আলী বেপারী, মরহুম আমির খাঁ, জমির খাঁ ও মরহুম দুধমিয়া বেপারীর বাড়ির সামনে নদী ভাঙনে আবাদি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া মতলব পৌরসভার উত্তর বাইশপুর গ্রামের মরহুম করিম মাস্টার, মরহুম আব্দুল আলীম মাস্টারের বাড়ি, মরহুম আমিন উদ্দিন ফরাজী বাড়ির জামে মসজিদ সড়কের একেবারে কাছে চলে এসেছে ভাঙন। মরহুম মনির হোসেন মনু চেয়ারম্যান ও শামসুল প্রধানের বাড়ি হয়ে মতলব সেতু পর্যন্ত ভাঙন অব্যাহত আছে।

গত বর্ষা মৌসুমে মতলব সেতুর উত্তর পাশে দুটি স্থানে বড় আকারের বালুভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলা হয়েছিল।

ভাঙন কবলিত স্থানগুলো সরেজমিন তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মাইজকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মাকসুদুর রহমান মিঠু, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. বোরহান উদ্দিন, রবিউল হাসান মানিক, রুহুল আমিন বেপারী, শফিক বেপারী, আব্দুর রহমান এবং বাইশপুর গ্রামের বিশিষ্ট ঠিকাদার এজিএস জহির, মতলব বাজার বণিক সমিতির সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান সরকার, ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক প্রধান খোকন।

একই দাবি জানিয়েছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক দুইবারের মেয়র এনামুল হক বাদল। এলাকাবাসী চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড. মো. জালালউদ্দিন এমপি, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম শাহেদ, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম ইসমাম ও মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

প্রকাশিত : শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ খ্রি

Views: 2

শেয়ার করুন